লন্ডনে ঝুঁকিপূর্ণ ড্রাইভিং কমাতে নতুন প্রযুক্তির গতি-নিয়ন্ত্রণ ক্যামেরা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করছে Transport for London। প্রথম ধাপে রাজধানীর ৯টি বরোতে মোট ১০টি রাডারভিত্তিক ক্যামেরা বসানো হবে।
এই ক্যামেরাগুলো বসানো হবে হ্যারিঙ্গে, টাওয়ার হ্যামলেটস, হ্যাভারিং, ক্রয়ডন, হ্যামারস্মিথ অ্যান্ড ফুলহ্যাম, ব্রেন্ট, হ্যাকনি, ইলিং ও সাটনে। নির্বাচিত সব সড়কেই গতিসীমা ২০ বা ৩০ মাইল প্রতি ঘণ্টা।
নতুন ক্যামেরাগুলোতে ৪ডি রাডার ও ৪কে রঙিন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে, যা কোনো ফ্ল্যাশ বা রাস্তার নিচে সেন্সর ছাড়াই কাজ করতে পারে। এগুলো একসাথে বিপরীতমুখী পাঁচটি লেন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম—যেখানে পুরনো ক্যামেরা তিনটি লেন কভার করত। ফলে আরও নির্ভুল ছবি পাওয়া যাবে এবং দ্রুতগতির চালকদের শনাক্ত করা সহজ হবে।
TfL-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে লন্ডনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছিল ১১০ জন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১৬% বেশি। একইসঙ্গে দেখা গেছে, মারাত্মক দুর্ঘটনার প্রায় অর্ধেকের পেছনে অতিরিক্ত গতি একটি বড় কারণ।
সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে ভবিষ্যতে আরও ২০টি এলাকায় ক্যামেরা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং ২০ মাইল গতিসীমার সড়কও বাড়াতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে উৎসাহ দিচ্ছে TfL।
পুলিশ জানিয়েছে, এই নতুন প্রযুক্তি তাদেরকে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগে সহায়তা করবে এবং সড়কে মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য—“ভিশন জিরো”—বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।