ছোট নৌকায় করে অভিবাসীদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হলে দেশটিতে চরম ডানপন্থী রাজনীতি শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ

লন্ডনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, অনেক মানুষ মনে করছে অভিবাসন পরিস্থিতির ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমে যাচ্ছে। এই অনুভূতি মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করে এবং সেই ভয় থেকেই উগ্র জাতিগত জাতীয়তাবাদ বা সংকীর্ণ দেশপ্রেম মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে। এতে নাইজেল ফারাজ–এর মতো রাজনীতির শক্তি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

নিজের প্রস্তাবিত অভিবাসন সংস্কার পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তার নীতি একদিকে ফারাজের “বিশ্ব থেকে নিজেকে বন্ধ করে দেওয়া” ধরনের রাজনীতির বিপরীত, আবার অন্যদিকে গ্রিন পার্টির “খোলা সীমান্তের” ধারণাও নয়।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী—

এর পাশাপাশি আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদান থেকে ভিসা ইস্যুর ওপর জরুরি সীমাবদ্ধতা আরোপের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এসব দেশের কিছু মানুষ বৈধ পথে যুক্তরাজ্যে এসে পরে আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন করছে।

তবে লেবার পার্টির ভেতরেই এই নীতির সমালোচনা উঠেছে। প্রায় ৩০ জন লেবার এমপি এক চিঠিতে বলেছেন, যারা বিদ্যমান নিয়ম মেনে যুক্তরাজ্যে এসেছেন, তাদের জন্য মাঝপথে নিয়ম পরিবর্তন করা ন্যায্য হবে না।

অন্যদিকে শরণার্থী সহায়তাকারী সংগঠনগুলোও এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এতে সমস্যার সমাধান না হয়ে বরং অনেক আশ্রয়প্রার্থী গৃহহীন বা চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *