যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাসের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় Donald Trump-এর জন্য রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের তৃতীয় সপ্তাহে এসে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যদিও ট্রাম্প প্রকাশ্যে আত্মবিশ্বাসী থাকার চেষ্টা করছেন, বাস্তবে এই যুদ্ধ তার প্রেসিডেন্সির বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি যুদ্ধ ছাড়াও নানা অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন—যা তার স্বভাবসুলভ হলেও বিশ্লেষকদের মতে এটি যুদ্ধের গুরুত্বকে আড়াল করতে পারছে না। একই সময়ে তিনি চীন সফর এক মাস পিছিয়ে দিয়েছেন এবং হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে আন্তর্জাতিক জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বেশ কিছু দেশ এতে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তারা বৃহত্তর যুদ্ধে জড়াতে চান না।

এখন ট্রাম্পের সামনে বড় সিদ্ধান্ত—যুক্তরাষ্ট্র কি সরাসরি সামরিক উপস্থিতি বাড়াবে, নাকি সীমিত অভিযান চালিয়েই শেষ করবে। সামরিক উপস্থিতি বাড়ালে ঝুঁকি বাড়বে, আর না বাড়ালে ইরানের হুমকি ও তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থেকে যেতে পারে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে গড়ে প্রতি গ্যালন ৩.৭২ ডলারে পৌঁছেছে, যা এক মাস আগে ছিল ২.৯৪ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লে তা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধাক্কা দিতে পারে।

অন্যদিকে, স্থলবাহিনী মোতায়েন করলে “দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ক্লান্তি” থাকা মার্কিন জনগণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। ফলে ট্রাম্পের সামনে এখন যেকোনো সিদ্ধান্তই ঝুঁকিপূর্ণ।

আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সময় থাকলেও, দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা দিন দিন কমে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *